Close Menu

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    নারী-শিশু নির্যাতন: এক মাসে হাইকোর্টের ১০ রায়

    July 17, 2026

    ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৫ হাজার, এখনো নিখোঁজ ৫০ হাজার

    July 17, 2026

    দৈনিক ৫ কোটি টাকার লেনদেন, সাড়ে ৬ হাজার সিমসহ গ্রেপ্তার ৬

    July 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Friday, July 17 , 2026
    অর্থ দিগন্ত
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    • প্রচ্ছদ
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • শেয়ার বাজার
    • খেলা
    • বিনোদন
    • লাইফস্টাইল
    • আরও
      • শিক্ষা
      • ব্যাংক বীমা
    অর্থ দিগন্ত
    Home»অর্থনীতি»শতকোটির মরিচ বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, কৃষক বঞ্চিত ন্যায্য দামে

    শতকোটির মরিচ বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, কৃষক বঞ্চিত ন্যায্য দামে

    Reduanul Hoqueনিজস্ব প্রতিবেদকMay 5, 2026
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email Copy Link

    বগুড়ার যমুনাঘেঁষা চরাঞ্চলজুড়ে এখন লাল মরিচের সমারোহ। বাড়ির উঠান, বাঁধ, বালুচর—সবখানেই শুকাতে দেওয়া হয়েছে মরিচ। দূর থেকে দেখলে মনে হয় লাল রঙের এক সমুদ্র। তবে এই ‘লাল সোনা’র আড়ালে লুকিয়ে আছে দামের টানাপোড়েন, বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাবের জটিল বাস্তবতা।

    কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার চরাঞ্চলে প্রায় ৭ হাজার ১০০ একর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে প্রায় ১৯ হাজার ৮৭৬ টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে শুধু সারিয়াকান্দির চরেই লেনদেন হতে পারে ১৭০ থেকে ১৮০ কোটি টাকার বেশি।

    উৎপাদনে সাফল্য, আয়ে অনিশ্চয়তা

    গত এক দশকে এ অঞ্চলে মরিচ চাষে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে যেখানে উৎপাদন ছিল প্রায় ১০ হাজার টন, বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৮-২০ হাজার টনে। একইসঙ্গে বাজারমূল্যও বেড়েছে কয়েকগুণ।

    তবে কৃষকদের দাবি, উৎপাদন বাড়লেও লাভের পরিমাণ স্থিতিশীল নয়। হাইব্রিড বীজ, সার, কীটনাশক ও শ্রম খরচ বেড়ে যাওয়ায় প্রকৃত ব্যয় অনেক বেশি। প্রতি বিঘায় গড়ে ২০ হাজার টাকা খরচ ধরা হলেও বাস্তবে তা আরও বাড়ে।

    সারিয়াকান্দির এক কৃষক জানান, “মাঠে ভালো ফলন হলেও আড়তে গিয়ে নানা অজুহাতে দাম কমিয়ে দেওয়া হয়। ১০ হাজার টাকার মরিচ সাত হাজারে বিক্রি করতে হয়।”

    দামের নিয়ন্ত্রণ আড়তদারদের হাতে

    চরাঞ্চলে কোনো কেন্দ্রীয় পাইকারি বাজার না থাকায় কৃষকরা স্থানীয় আড়তের ওপর নির্ভরশীল। এখানেই মরিচের মান নির্ধারণ করা হয়—রং, আর্দ্রতা ও শুকানোর ওপর ভিত্তি করে ‘গ্রেডিং’ করা হয়। এরপর সেই অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করেন আড়তদাররা।

    কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে প্রতিযোগিতার অভাব থাকায় কয়েকজন বড় ব্যবসায়ী সমন্বয়ের মাধ্যমে দাম নিয়ন্ত্রণ করেন। অনেক ক্ষেত্রে দালালের মাধ্যমে বিক্রি করলে প্রতি মণে ৪০০-৫০০ টাকা বেশি পাওয়া যায়, যা বাজার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

    শুকানো ও সংরক্ষণেই নির্ধারিত হয় দাম

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মরিচ চাষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ মাঠে নয়, বরং ফসল তোলার পরের প্রক্রিয়া। সঠিকভাবে শুকানো, আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ এবং সংরক্ষণ—এই তিনটি বিষয়ই বাজারদর নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে।

    বর্তমানে অধিকাংশ কৃষক খোলা জায়গায় রোদে মরিচ শুকান, যা পুরোপুরি আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। মাঝখানে বৃষ্টি হলে মরিচের রং ও মান নষ্ট হয়ে যায়, ফলে দাম ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

    অন্যদিকে বড় ব্যবসায়ীরা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে শুকানো ও সংরক্ষণের সুবিধা থাকায় একই মরিচ থেকেও বেশি দাম পান।

    নারী শ্রমিকদের অবদান, কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশ

    মরিচ প্রক্রিয়াজাতকরণে নারী শ্রমিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুকানো, বাছাই ও বস্তাবন্দি—সব কাজেই তারা যুক্ত। দৈনিক মজুরি ২০০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে হলেও কাজের পরিবেশ অত্যন্ত কষ্টকর।

    শ্রমিকদের অভিযোগ, মরিচের ঝাঁজে চোখ জ্বালা, কাশি ও শ্বাসকষ্ট সাধারণ ঘটনা হলেও কোনো ধরনের সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই।

    কাঠামোগত পরিবর্তনের প্রয়োজন

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই শতকোটি টাকার বাজারে সবচেয়ে কম লাভ পাচ্ছেন উৎপাদক কৃষকরা। বাজার ব্যবস্থাকে ভারসাম্যে আনতে প্রয়োজন—

    • কৃষকের সরাসরি বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা
    • গ্রাম পর্যায়ে আধুনিক শুকানো ও সংরক্ষণ প্রযুক্তি চালু করা
    • আড়তকেন্দ্রিক দামের ওপর স্বচ্ছতা ও নজরদারি বাড়ানো
    • নারী শ্রমিকদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা

    তাদের মতে, সোলার ড্রায়ার বা নিয়ন্ত্রিত সংরক্ষণাগার চালু করা গেলে কৃষকরা একই মরিচ থেকে ২০-৩০ শতাংশ বেশি দাম পেতে পারেন।

    সব মিলিয়ে, বগুড়ার চরাঞ্চলের মরিচ অর্থনীতি সম্ভাবনাময় হলেও বাজার কাঠামোর সীমাবদ্ধতা দূর না হলে উৎপাদনের প্রকৃত সুফল কৃষকের হাতে পৌঁছাবে না।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    নিজস্ব প্রতিবেদক

    Related Posts

    নারী-শিশু নির্যাতন: এক মাসে হাইকোর্টের ১০ রায়

    July 17, 2026

    দৈনিক ৫ কোটি টাকার লেনদেন, সাড়ে ৬ হাজার সিমসহ গ্রেপ্তার ৬

    July 16, 2026

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

    July 16, 2026
    সর্বশেষ
    জাতীয়

    পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    নিজস্ব প্রতিবেদকJuly 12, 2026

    অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষা, দ্রুত ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং…

    বাবার ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি

    July 11, 2026

    সূচকের উত্থানে লেনদেন ১৫৭৩ কোটি টাকা

    June 30, 2026

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    June 3, 2026

    সম্পাদক: মো: রিদুয়ানুল হক
    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এনামুল হক
    নির্বাহী সম্পাদক: রাশেদ রহমান

    ঠিকানা : ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার রোড (৩য় তলা), নয়াপল্টন, ঢাকা -১০০০, বাংলাদেশ।

    ইমেইল : arthodiganto@gmail.com
    যোগাযোগ : ০১৯১১২৭২৫৫৩

    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube WhatsApp
    • About Us
    • Terms of Use
    • Privacy Policy
    • Disclaimer
    • Sitemap
    • Contact Us
    © 2026 www.arthodiganto.com | Developed by Web Solution IT Ltd..

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.