Close Menu

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক দিলেন সোনম ওয়াংচুক

    August 14, 2026

    ২৬ আগস্ট ছুটি ঘোষণা, পাবেন না যারা

    August 14, 2026

    চট্টগ্রামে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ‘বিষাক্ত গ্যাসে’ নিহত বেড়ে ৭

    August 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Saturday, August 15 , 2026
    অর্থ দিগন্ত
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    • প্রচ্ছদ
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • শেয়ার বাজার
    • খেলা
    • বিনোদন
    • লাইফস্টাইল
    • আরও
      • শিক্ষা
      • ব্যাংক বীমা
    অর্থ দিগন্ত
    Home»আন্তর্জাতিক»রেলে সিসিএস নেই ৩৫ দিন: দাপ্তরিক কাজ বন্ধ, বিপদ সন্নিকটে

    রেলে সিসিএস নেই ৩৫ দিন: দাপ্তরিক কাজ বন্ধ, বিপদ সন্নিকটে

    Reduanul Hoqueনিজস্ব প্রতিবেদকApril 26, 2026
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email Copy Link

    বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিসিএস) পদটি টানা ৩৫ দিন ধরে শূন্য পড়ে আছে। ফলে রেলের যন্ত্রাংশসহ গুরুত্বপূর্ণ কেনাকাটার কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত এ অবস্থার অবসান না হলে নিরাপদ রেল চলাচল মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণপরিবহন মাধ্যম বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রতিদিন লাখো মানুষ যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের জন্য রেলের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকায় প্রশাসনিক দক্ষতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    রেলওয়ের প্রধান সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিসিএস) পদটি মূলত যন্ত্রাংশ ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু। একটি ট্রেন সচল রাখতে ইঞ্জিন, বগি, সিগন্যালিং সিস্টেমসহ অসংখ্য যান্ত্রিক উপকরণ নিয়মিত পরিবর্তন বা মেরামত করতে হয়। এসব যন্ত্রাংশ সময়মতো সংগ্রহ করা না গেলে রেল চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থাকে।

    সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সিসিএস দপ্তরের অনুমোদন ছাড়া বড় ধরনের যন্ত্রাংশ ক্রয়ের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। ফলে চলমান অনেক ক্রয় কার্যক্রম বর্তমানে আটকে আছে।

    এর আগে ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর বরাদ্দ প্রাপ্তি ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে রেলের কেনাকাটা কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। এর প্রভাবে ২০২৫ সালে রেলওয়েতে মারাত্মক যন্ত্রাংশ সংকট দেখা দেয়। সে সময় বিভিন্ন স্থানে ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রেন চলাচলে ব্যাপক সিডিউল বিপর্যয় ঘটে। সেই পরিস্থিতি পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠার আগেই আবারও গুরুত্বপূর্ণ এই পদটি শূন্য হয়ে পড়ায় নতুন করে সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

    জানা যায়, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি সিসিএস হিসেবে দায়িত্ব নেন বেলাল হোসেন সরকার। তবে অর্থ বরাদ্দের অভাবে সে সময় পর্যাপ্ত কেনাকাটা করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে বরাদ্দ এলেও সরকারি ক্রয়বিধি (পিপিআর) সংক্রান্ত জটিলতায় সময়ক্ষেপণ হয়।

    চলতি বছরের ১৫ মার্চ এক অফিস আদেশে পশ্চিমাঞ্চলের সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিওএস) মো. আনোয়ারুল ইসলামকে সিসিএসের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং বেলাল হোসেন সরকারকে ওএসডি করে রেলভবনে সংযুক্ত করা হয়। পরে ২ এপ্রিল আগের আদেশ আংশিক বাতিল করে আনোয়ারুল ইসলামকে তার পূর্বের পদে (সিওএস, পশ্চিম) ফিরিয়ে নেওয়া হয়। তবে এরপর থেকে সিসিএস পদে নতুন করে কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে অদ্যাবধি পদটি শূন্য রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, যন্ত্রাংশ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে ট্রেন চলাচলের ওপর। একটি ইঞ্জিন বা বগির ছোট ত্রুটিও যদি সময়মতো মেরামত করা না যায়, তবে তা বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সিসিএস পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকা শুধু প্রশাসনিক সমস্যা নয়, এটি যাত্রী নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

    রেলওয়ের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দায়িত্বশীল কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঝুলে আছে। ফলে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে গিয়ে জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন। এতে কর্মপরিকল্পনা ব্যাহত হচ্ছে এবং কাজের গতি কমে যাচ্ছে।

    এদিকে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা রয়েছে, সিসিএস পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী হওয়ায় এটি অনেকের কাছে লোভনীয় বলে বিবেচিত হয়। অতীতে এ ধরনের পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে তদবীর ও প্রতিযোগিতার ঘটনাও শোনা গেছে। তবে এবার এই পদে প্রত্যাশিত তদবীর বা উদ্যোগ দৃশ্যমান না থাকায় পদটি দীর্ঘদিন খালি রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বিশ্লেষকদের মতে, প্রশাসনিক পদ শূন্য থাকা নতুন কোনো ঘটনা নয়। তবে রেলওয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে একটি কৌশলগত পদ দীর্ঘ সময় খালি থাকা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এ ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কার্যকর নেতৃত্ব নিশ্চিত করা জরুরি।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক দলের নেতৃবৃন্দ বলেন, “সিসিএস একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ। এটি একদিনের জন্যও খালি রাখা উচিত নয়। ৩৫ দিন ধরে পদটি শূন্য থাকা উদ্বেগজনক। সামনে ঈদে যাত্রী চাপ বাড়বে, অতিরিক্ত লোকোমোটিভ প্রয়োজন হবে। এমন সময়ে রেলকে বিতর্কিত করতে এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে বলে আমাদের সন্দেহ হচ্ছে।”

    এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের কতৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে জানতে পারলে নিউজে সংযোজন করা হবে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    নিজস্ব প্রতিবেদক

    Related Posts

    ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক দিলেন সোনম ওয়াংচুক

    August 14, 2026

    দিল্লিতে শেখ হাসিনা বিতর্ক: বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে টানাপোড়েন কি বাড়ছে?

    August 9, 2026

    গ্রিসে উদ্ধার ২০২ অভিবাসী, বেশির ভাগ বাংলাদেশি ও সুদানি

    August 8, 2026
    সর্বশেষ
    জাতীয়

    পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    নিজস্ব প্রতিবেদকJuly 12, 2026

    অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষা, দ্রুত ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং…

    বাবার ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি

    July 11, 2026

    সূচকের উত্থানে লেনদেন ১৫৭৩ কোটি টাকা

    June 30, 2026

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    June 3, 2026

    সম্পাদক: মো: রিদুয়ানুল হক
    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এনামুল হক
    নির্বাহী সম্পাদক: রাশেদ রহমান

    ঠিকানা : ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার রোড (৩য় তলা), নয়াপল্টন, ঢাকা -১০০০, বাংলাদেশ।

    ইমেইল : arthodiganto@gmail.com
    যোগাযোগ : ০১৯১১২৭২৫৫৩

    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube WhatsApp
    • About Us
    • Terms of Use
    • Privacy Policy
    • Disclaimer
    • Sitemap
    • Contact Us
    © 2026 www.arthodiganto.com | Developed by Web Solution IT Ltd..

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.