Close Menu

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক দিলেন সোনম ওয়াংচুক

    August 14, 2026

    ২৬ আগস্ট ছুটি ঘোষণা, পাবেন না যারা

    August 14, 2026

    চট্টগ্রামে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ‘বিষাক্ত গ্যাসে’ নিহত বেড়ে ৭

    August 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Saturday, August 15 , 2026
    অর্থ দিগন্ত
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    • প্রচ্ছদ
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • শেয়ার বাজার
    • খেলা
    • বিনোদন
    • লাইফস্টাইল
    • আরও
      • শিক্ষা
      • ব্যাংক বীমা
    অর্থ দিগন্ত
    Home»লাইফস্টাইল»প্রসব-পরবর্তী জন্মনিয়ন্ত্রণ নিয়ে যা জানা জরুরি

    প্রসব-পরবর্তী জন্মনিয়ন্ত্রণ নিয়ে যা জানা জরুরি

    Reduanul Hoqueনিজস্ব প্রতিবেদকApril 24, 2026
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email Copy Link

    সন্তান জন্মদানের পর পরবর্তী গর্ভধারণের জন্য শরীরকে পুনরায় প্রস্তুত করতে সময়ের প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞরা দুটি সন্তানের মধ্যে অন্তত ১৮ থেকে ২৪ মাস বিরতি রাখার পরামর্শ দেন। বিরতি এর চেয়ে কম হলে মা ও শিশু উভয়ের জন্যই স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়। এমনকি গর্ভপাত হলেও পরবর্তী গর্ভধারণের আগে অন্তত ৬ মাস অপেক্ষা করা উচিত।

    প্রসবের কতদিন পর গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকে?

    অনেক মা মনে করেন ডেলিভারির কয়েক মাস বা সপ্তাহের মধ্যে গর্ভধারণের ঝুঁকি কম থাকে। তবে এটি পুরোপুরি সঠিক নয়। অনেকে আবার মনে করেন প্রসবের পর পিরিয়ড শুরু না হলে পুনরায় গর্ভধারণ হয় না। কিন্তু গর্ভধারণের জন্য পিরিয়ড ফিরে আসা জরুরি নয়।

    আপনার দেহ সাধারণত পিরিয়ড শুরু হওয়ার দুই সপ্তাহ আগেই ডিম্বাণু নিঃসরণ করে। একে ডাক্তারি ভাষায় ওভুলেশন বলে। তাই পিরিয়ড শুরু হওয়ার আগেও আপনি গর্ভধারণ করতে পারেন। যদি আপনি সন্তানকে বুকের দুধ না খাওয়ান কিংবা বুকের দুধের পাশাপাশি ফর্মুলা খাইয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে ডেলিভারির এক মাসের মধ্যেই ওভুলেশন হতে পারে এবং প্রসবের ৬ সপ্তাহের মধ্যেই আপনি পুনরায় মা হতে পারেন। তাই অপরিকল্পিত গর্ভধারণ এড়িয়ে চলতে প্রসব-পরবর্তী সহবাসের ক্ষেত্রে শুরু থেকেই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রয়োজন।

    সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সঙ্গে গর্ভধারণের সম্পর্ক

    অনেক মা মনে করেন সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির প্রয়োজন হয় না। বিষয়টি সঠিক নয়। বুকের দুধ খাওয়ালে ওভুলেশন কিছুটা দেরিতে হলেও জন্মবিরতিতে এটি পুরোপুরি কার্যকর নয়।

    নিচের তিনটি ক্ষেত্রে বুকের দুধ খাওয়ানো হলে পুনরায় গর্ভধারণের ঝুঁকি কম থাকে—

    • আপনার পিরিয়ড যদি পুনরায় শুরু না হয়

    • আপনি যদি সন্তানকে শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ান বা এক্সক্লুসিভ ব্রেস্টফিডিং করেন, অর্থাৎ ফর্মুলা বা অন্য কোনো ধরনের বাড়তি খাবার না দেন

    • আপনার শিশুর বয়স যদি ৬ মাসের কম হয়

    তারপরও অপরিকল্পিত গর্ভধারণের ঝুঁকি এড়াতে বুকের দুধ খাওয়ানোর পাশাপাশি যেকোনো একটি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করাটা নিরাপদ।

    জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়ে পরিকল্পনা করবেন যখন

    প্রসবের পর সহবাস শুরুর আগেই জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়ে পরিকল্পনা করে নিন। এমনকি আপনার গর্ভাবস্থার সময়েও জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়ে কথা বলে রাখতে পারেন। অধিকাংশ মা গর্ভাবস্থার শেষে অথবা প্রসবের পর পর এটি নিয়ে আলোচনা করেন।

    যদি হাসপাতালে আপনার ডেলিভারি হয় তাহলে হাসপাতাল থেকে বের হবার আগেই আপনার চিকিৎসকের সাথে এটি নিয়ে আলোচনা করে নিন। এছাড়াও ডেলিভারির পরবর্তী চেকআপ এর সময়ই চিকিৎসক আপনাকে এ নিয়ে জিজ্ঞেস করবে। সাধারণত প্রসবের ৬ থেকে ৮ সপ্তাহ পর এ চেকআপটি হয়ে থাকে। তবে আপনি অন্য যেকোনো সময়ই এ নিয়ে আলোচনা করতে পারবেন। ডেলিভারির পর যত দ্রুত সম্ভব এ নিয়ে আলোচনা করে নিন। আলোচনার সময় নিচের বিষয়গুলির দিকে লক্ষ্য রাখুন—

    • আপনার পূর্ববর্তী গর্ভাবস্থার অভিজ্ঞতা

    • আপনার ভবিষ্যৎ পরিবার পরিকল্পনা

    • আপনার ও আপনার সঙ্গীর পছন্দ, অপছন্দ ও স্বাচ্ছন্দ্য

    • পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

    • আপনাদের কোনো শারীরিক সমস্যা অথবা রোগ যদি থেকে থাকে

    কখন শুরু করবেন

    জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি কখন থেকে শুরু করবেন সেটি নির্ভর করবে ব্যবহৃত পদ্ধতি, আপনার স্বাচ্ছন্দ্য, দৈনন্দিন জীবন এবং শারীরিক অবস্থার উপর। দীর্ঘমেয়াদি পদ্ধতিগুলো সন্তান জন্মদানের পর পর ব্যবহার করতে পারেন। আবার কিছু পদ্ধতি (যেমন: কম্বাইন্ড জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি) ব্যবহার এর জন্য অন্তত ৬ সপ্তাহ অপেক্ষা করুন।

    প্রচলিত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি

    বিভিন্ন ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি রয়েছে যেগুলো আপনি ডেলিভারির পর ব্যবহার করতে পারেন— ব্যারিয়ার মেথড: পুরুষ ও মহিলা কনডম, স্পার্মিসাইড, ডায়াফ্রাম, সারভাইকাল ক্যাপ, স্পঞ্জ জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি: মিশ্র বড়ি, প্রজেস্টোরন বড়ি বা মিনিপিল। মিশ্র বড়ি সাধারণত ‘সুখী’ নামে পাওয়া যায়। আর সরকারিভাবে সরবরাহ করা প্রজেস্টোরন বড়ি ‘আপন’ নামে পাওয়া যায়। জরায়ুতে পরার ইন্ট্রা ইউটেরাইন ডিভাইস: হরমোনের তৈরি বা কপারের তৈরি ইমপ্ল্যান্ট ইনজেকশন: ডিপো, প্রোভেরা স্টেরিলাইজেশন বা স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি: পুরুষদের ভ্যাসেকটমি, নারীদের টিউবাল লাইগেশন প্রাকৃতিক পদ্ধতি: ল্যাকটেশনাল এমেনোরিয়া

    উপরের সবগুলো পদ্ধতিই আপনি ডেলিভারির পর ব্যবহার করতে পারবেন। তবে প্রত্যেকটি পদ্ধতিরই আলাদা কার্যকারিতা ও ব্যবহারবিধি রয়েছে। আপনার যদি সন্তান জন্মদানের পর ইমারজেন্সি জন্মনিয়ন্ত্রণ এর প্রয়োজন হয়, আপনি নিচের পদ্ধতি গুলো অবলম্বন করতে পারেন—

    ইমারজেন্সি পিল: লেভোনোগ্যাস্ট্রল (LNG-ECP) নামের একটি পিল গ্রহণ করতে পারেন। এটিকে অনেকসময় ‘মর্নিং আফটার’ পিলও বলা হয়। এ ধরনের আরেকটি পিল হলো ‘ইউলিপ্রোস্টাল এসিটেট’ (UPA) পিল। সন্তানকে বুকের দুধ পান করালে এ পিল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। জরায়ুতে পরার কপার ডিভাইস: আপনি যদি আনপ্রোটেক্টেড বা নিয়ন্ত্রণবিহীন সহবাস করে থাকেন, সেক্ষেত্রে ৫ দিনের মধ্যে এটি ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনাকে ভবিষ্যৎেও জন্মনিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।

    বাছাই এর আগে যেসব বিষয়ে লক্ষ রাখবেন

    জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বাছাইয়ের আগে নিচের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখুন—

    সন্তান: আপনি আর সন্তান চান কি না, চাইলে কতদিন পর চান। আপনি যদি আর সন্তান না চান সেক্ষেত্রে স্থায়ী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।

    সময়: কিছু পদ্ধতি সন্তান প্রসব এর পর পরই শুরু করতে হয়, কিছু পদ্ধতি শুরু করতে আপনাকে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হয়। কাজেই আপনার পছন্দের সময় অনুযায়ী আপনি জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বেছে নিতে পারেন।

    বুকের দুধ খাওয়ানো: আপনি বাচ্চাকে বুকের দুধপান করালে সব ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি আপনার জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে। কোনো কোনো পদ্ধতি আপনার বুকের দুধের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

    কার্যকারিতা: আপনি গর্ভাবস্থার আগে ব্যবহার করেছেন এমন অনেক পদ্ধতিই এখন কার্যকর নাও হতে পারে। যেমন: স্পঞ্জ পদ্ধতি, জরায়ুমুখের ক্যাপ পদ্ধতি।

    পুনরাবৃত্তি: একটি পদ্ধতি আপনি কতবার পর্যন্ত ব্যবহার করতে চান সেটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেমন, কিছু পদ্ধতি আপনাকে প্রতিদিন ব্যবহার করতে হবে। আবার কিছু কিছু পদ্ধতি একবার ব্যবহার আপনাকে মাস কিংবা বছর পর্যন্ত সুরক্ষা দিবে।

    যৌনবাহিত রোগ: আপনার অথবা আপনার সঙ্গীর যৌনবাহিত রোগ থেকে থাকলে সেটিও জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়। যেমন, আপনার সঙ্গী যদি কনডম ব্যবহার করে তা পরস্পর থেকে যৌনবাহিত রোগ সংক্রামণের ঝুঁকি কমায়।

    অন্যান্য রোগ: সব ধরনের জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি আপনার জন্য নিরাপদ নাও হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার যদি কোনো শারীরিক অবস্থা (যেমন: উচ্চ রক্তচাপ) থাকে, তাহলে কিছু কিছু পদ্ধতি এড়িয়ে চলুন।

    ‘ওভার দা কাউন্টার’ কি না: কিছু কিছু পদ্ধতি আপনি নিজেই প্যাকেটের গায়ে থাকা নির্দেশিকা অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন। যেমন: কনডম, স্পার্মিসাইড, স্পঞ্জ পদ্ধতি। তবে কিছু কিছু পদ্ধতি অবলম্বনের জন্য আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ বা নিবিড় তত্বাবধানে থাকতে হতে পারে।

    কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন

    কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অবলম্বনের সময় আপনার নিচের লক্ষণগুলির কোনোটি দেখা গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

    • এক পা বা উভয় পা ফুলে গেলে

    • শ্বাসকষ্ট হলে

    • বুকে ব্যথা হলে

    • পায়ে স্পর্শ করার সাথে সাথে ব্যথা হলে

    এ ছাড়াও কিছু পদ্ধতি ব্যবহারের সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন। এসব পদ্ধতির যেকোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

    তথ্যসূত্র: সহায় হেলথ

     

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    নিজস্ব প্রতিবেদক

    Related Posts

    বর্ষাকালে যেসব শাক চাষ করবেন

    July 4, 2026

    ঝামেলাহীন ভ্রমণের কৌশল

    June 9, 2026

    মুখে দুর্গন্ধ? দূর করার ৮টি সহজ ও কার্যকর উপায়

    May 5, 2026
    সর্বশেষ
    জাতীয়

    পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    নিজস্ব প্রতিবেদকJuly 12, 2026

    অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষা, দ্রুত ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং…

    বাবার ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি

    July 11, 2026

    সূচকের উত্থানে লেনদেন ১৫৭৩ কোটি টাকা

    June 30, 2026

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    June 3, 2026

    সম্পাদক: মো: রিদুয়ানুল হক
    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এনামুল হক
    নির্বাহী সম্পাদক: রাশেদ রহমান

    ঠিকানা : ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার রোড (৩য় তলা), নয়াপল্টন, ঢাকা -১০০০, বাংলাদেশ।

    ইমেইল : arthodiganto@gmail.com
    যোগাযোগ : ০১৯১১২৭২৫৫৩

    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube WhatsApp
    • About Us
    • Terms of Use
    • Privacy Policy
    • Disclaimer
    • Sitemap
    • Contact Us
    © 2026 www.arthodiganto.com | Developed by Web Solution IT Ltd..

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.