Close Menu

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক দিলেন সোনম ওয়াংচুক

    August 14, 2026

    ২৬ আগস্ট ছুটি ঘোষণা, পাবেন না যারা

    August 14, 2026

    চট্টগ্রামে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ‘বিষাক্ত গ্যাসে’ নিহত বেড়ে ৭

    August 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Saturday, August 15 , 2026
    অর্থ দিগন্ত
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    • প্রচ্ছদ
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • শেয়ার বাজার
    • খেলা
    • বিনোদন
    • লাইফস্টাইল
    • আরও
      • শিক্ষা
      • ব্যাংক বীমা
    অর্থ দিগন্ত
    Home»জাতীয়»এখনো আশ্বাসে চলছে দিবাযত্ন কেন্দ্র, আতঙ্কে দিন কাটছে অভিভাবকদের

    এখনো আশ্বাসে চলছে দিবাযত্ন কেন্দ্র, আতঙ্কে দিন কাটছে অভিভাবকদের

    Rashedনিজস্ব প্রতিবেদকApril 6, 2026
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email Copy Link
    • ৮ মাসের বকেয়া বেতন ও বিল জটিলতায় কর্মবিরতির হুমকি
    • ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ না হওয়ায় যে কোনো সময় শিশুদের খাবার সরবরাহ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা।
    • দিবাযত্ন কেন্দ্র বন্ধের শঙ্কায় কর্মজীবী অভিভাবকদের মধ্যে চরম দুশ্চিন্তা ও আতঙ্ক।
    • দীর্ঘমেয়াদি সমাধান না হলে প্রকল্প বন্ধের আশঙ্কা, হুমকিতে পড়তে পারে কর্মজীবী বাবা-মায়ের স্বাভাবিক জীবন।

     

    সকালে ঘুম থেকে উঠে অফিসের প্রস্তুতি নেন লাবনী আক্তার। তারপর তার দুই বছরের মেয়েকে প্রস্তুত করে নিয়ে যান একটি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে। সেখানেই মেয়েকে রেখে প্রতিদিনের মতো কর্মস্থলে ছুটে যান তিনি। গত এক বছর ধরে এভাবেই শুরু হয় তার দিনের প্রথম ভাগ। তবে ইদানিং অফিসের কাজের ফাঁকে তিনি চিন্তিত থাকেন- সবসময়ই তার মধ্যে কাজ করে একটি শঙ্কা, আবার কখন কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা আসে শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র থেকে।

    লাবনী আক্তার তুসুকা ট্রাউজার্স লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ শিল্প প্রকৌশল নির্বাহী কর্মকর্তা। অফিস চলাকালীন তার শিশু থাকে গাজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে মহিলা ও শিশু অধিদপ্তরের আওতাধীন ২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের একটি কেন্দ্রে।

    গত ২৫ মার্চ দিবাযত্ন কেন্দ্র থেকে তাকে জানানো হয় বকেয়া বেতন সংক্রান্ত জটিলতায় কেন্দ্রের সবাই কর্মবিরতিতে থাকবেন। যদিও পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে তারা পিছিয়ে আসেন।

    লাবনী আক্তার বলেন, আমি আমার সন্তানকে দিবাযত্ন কেন্দ্রে রেখে অফিস করি। এটা আমার জন্য এতদিন স্বস্তির ছিল। কিন্তু ঈদের ছুটির পর তারা জানায়, তারা কার্যক্রম বন্ধ রাখবে। তাদের ৮ মাসের বেতন বকেয়া পড়েছে, তাই তারা সেবা দিতে পারবে না। আমার মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ল। তারপর তারা সিদ্ধান্ত পাল্টে জানায়, বাচ্চা রাখবে কিন্তু খাবার সরবরাহ করতে পারবে না। মার্চের ২৯ তারিখ আমি খাবারসহ বাচ্চাকে কেন্দ্রে দিয়েছি। এরপর থেকে দুশ্চিন্তায় ছিলাম। কারণ একটা বাচ্চার সারাদিনের খাবার প্যাক করে দেওয়ার পর খাবারটা ভালো থাকছে কিনা, ওরা ফ্রিজিং করে ঠিকমতো খাওয়াতে পারছে কিনা এসব নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। এরপর জানানো হলো, কেন্দ্র থেকে খাবার দেওয়া হবে। ঠিকাদারদের নাকি বিল পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন সারাদিন দুশ্চিন্তায় থাকি। দিবাযত্ন কেন্দ্র যদি হঠাৎ আবার বন্ধ ঘোষণা দেয় তাহলে কি করব?

    ‘২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্পটি মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত হয়ে থাকে। নারীর নির্বিঘ্ন কর্মজীবন ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সারাদেশে এই প্রকল্পের আওতায় ২০টি কেন্দ্র রয়েছে।

    প্রকল্পের মেয়াদ নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার পাশাপাশি ৮ মাসের বকেয়া বেতন-ভাতার কারণে কেন্দ্রগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গত ২৯ মার্চ থেকে কর্মবিরতি ঘোষণা করে। বিল বকেয়া থাকায় দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গত ১ এপ্রিল থেকে কেন্দ্রগুলোতে খাবার সরবরাহ না করার ঘোষণাও দেয়। তবে কিছু মাসের বকেয়া পরিশোধ ও প্রকল্প পরিচালকের আশ্বাসে আবার কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালিত হলেও সমস্যা পুরোপরি সমাধান হয়নি।

    সোমবার (৫ এপ্রিল) পর্যন্ত পাওয়া তথ্য মতে, ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ না হওয়ায় তারা যে কোনো দিন আবারও খাবার দেওয়া বন্ধ করে দিতে পারেন বলে জানিয়েছেন। যেন প্রতিদিনই শঙ্কায় কাটছে দিবাযত্ন কেন্দ্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার। তাই তো লাবনী আক্তারের মতো দুশ্চিন্তায় আছেন অন্য কেন্দ্রগুলোর অভিভাবকেরাও।

    কথা হয় অ্যাডি সফট লিমিটেডের প্রশাসন ও হিসাব বিভাগের সহকারী মহাব্যবস্থাপক শাকিব সৌমিকের সঙ্গে। তার শিশু একই প্রকল্পের আওতাধীন লালমাটিয়া কেন্দ্রে রয়েছে প্রায় ২ বছরের বেশি সময় ধরে। যদিও এর মাঝে কেন্দ্রটির একবার স্থান পরিবর্তনও করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমি এবং আমার স্ত্রী দুইজনই চাকরিজীবী। আমার মেয়ের বয়স এখন ৪ বছর, প্রায় দেড় বছর বয়স থেকে ও শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে থাকে। এখানে ওর বেড়ে ওঠা নিয়ে আমরা বেশ সন্তুষ্ট। কিন্তু বিগত কয়েক মাস ধরে দিবাযত্ন কেন্দ্রে কর্মচারীদের বেতন ভাতা নিয়ে সমস্যা চলছে। এর প্রভাব কেন্দ্রের নিয়মিত কার্যক্রমেও পড়েছে। গত মাসের ২৯ তারিখে কর্মচারীরা বকেয়া বেতনের দাবিতে কর্মবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। আমরা হঠাৎ এ খবরে খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম। যদিও পরে তারা কেন্দ্র খোলা রেখেছে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ জটিলতা জানার পর থেকে আতঙ্কে আছি। সমস্যাগুলো পুরোপুরি সমাধান হয়নি বলেই জানতে পেরেছি। আমি চাই আমার স্ত্রী তার কর্মস্থলে নির্বিঘ্নে কাজ করুক। একই সঙ্গে সন্তানের যেকোনো বিষয়ে এমন অনিশ্চয়তাও মেনে নেওয়া যায় না। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দিবাযত্ন কেন্দ্রের সেবাকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। এটি কর্মজীবী বাবা-মায়েদের জন্য দারুণ একটি সমাধান। এখানে শিশুর নিরাপত্তা ও বিকাশ নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। মন্ত্রণালয়ের উচিত প্রকল্পটিকে দীর্ঘমেয়াদী করে যাবতীয় সমস্যার দ্রুত সমাধান করা।

    আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের হিসাব কর্মকর্তা জেরিন মাহমুদের ৬ বছরের শিশুও থাকে লালমাটিয়ার দিবাযত্ন কেন্দ্রে। তিনি বলেন, মায়েদের জন্য এটি শুধু সেবাকেন্দ্র নয়, বরং আমাদের নিশ্চিন্তে কাজ করার একমাত্র ভরসাস্থল। বর্তমানে এসব কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মীদের বেতন-ভাতা নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং ঠিকাদার সংক্রান্ত যেসব জটিলতার খবর আমরা পাচ্ছি, যা আমাদের ভীষণভাবে আতঙ্কিত করে তুলেছে। একজন মা যখন অফিসে থাকে, তার কাজের একাগ্রতা নির্ভর করে তার সন্তান নিরাপদ ও হাসিখুশি আছে- এই বিশ্বাসের ওপর। কিন্তু যখন শুনি যারা আমাদের সন্তানদের আগলে রাখেন, তারাই মানবেতর জীবনযাপন করছেন বা বেতন পাচ্ছেন না, তখন স্বাভাবিকভাবেই সেই প্রভাব শিশুদের ওপর পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়।

    তিনি আরও বলেন, এই অব্যবস্থাপনার কারণে আমরা অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। কর্মস্থলে থেকে সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তা কাজের ব্যাঘাত ঘটায়। যারা সেবা দিচ্ছেন, তাদের আর্থিক নিরাপত্তা না থাকলে সেবার মান কমে যাওয়ার ঝুঁকিও থাকে। যদি সঠিক সময়ে বেতন নিশ্চিত না করা হয় বা ঠিকাদারদের সমস্যার সমাধান না হয়, তবে এই কেন্দ্রগুলো বন্ধ হওয়ার উপক্রম হতে পারে। তেমনটা হলে আমাদের কর্মজীবন হুমকির মুখে পড়বে।

    প্রকল্পের একটি দিবাযত্ন কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমাদের ৮ মাসের বেতন বকেয়া ছিল। এরপরে আমরা মহাপরিচালক বরাবর লিখিত দিয়ে অবহিত করেছিলাম। ঈদের পরে আমাদের তিন মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করেছে। কিন্তু এখনো পাঁচ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। এছাড়া বাড়িভাড়া, খাবারের ঠিকাদারদের পাওনা বকেয়া রয়েছে। তারা আশ্বাসের ভরসায় খাবার তো দিচ্ছে কিন্তু বিল না ছাড়লে সেটা কতদিন দেবে জানা নেই। গতকালও দ্রুত বিল পরিশোধ না করলে খাবার বন্ধের আল্টিমেটাম দিয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক দিবাযত্ন কেন্দ্রের কর্মকর্তা বলেন, আমরা অনেকদিন ধরে বেতন ছাড়া সেবা দিয়েছি। কর্তৃপক্ষের কাছে কয়েকবার অনুরোধ করেছি। তাদের সাড়া না পেয়ে বাধ্য হয়ে কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলাম। পরে ৩ মাসের বকেয়া পরিশোধ করেছে। কিন্তু এখনো গত মাসসহ আরও ৫ মাস বাকি। সেগুলো কবে পাব জানি না। এদিকে বিল বাকি পড়ে যাওয়ায় ঠিকাদাররা খাবার বন্ধ করে দিয়েছিল পরে প্রকল্প পরিচালকের আশ্বাসে আবার খাবার দিচ্ছে। তারা বারবার বিল চায়। এদিকে কর্তৃপক্ষ আমাদের ম্যানেজ করে নিতে বলে। সমস্যা দ্রুত সমাধান না হলে এভাবে চালিয়ে যাওয়া মুশকিল।

    প্রকল্পের তথ্য অনুসারে, ২০টি শিশু কেন্দ্রের প্রতিটিতে আসনসংখ্যা রয়েছে ৬০টি। ৪ মাস থেকে ৬ বছর বয়সী শিশুদের সেখানে সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত রাখা হয়। সারাবছরই এই দিবাযত্ন কেন্দ্রে শিশুকে ভর্তির অপেক্ষায় থাকেন অনেক কর্মজীবী বাবা-মায়েরা। প্রায় সবগুলো কেন্দ্রেই অপেক্ষামাণ তালিকা বেশ দীর্ঘ।

    কারণ, এখানে শিশুকে রাখার পাশাপাশি নিশ্চিত করা হয় তাদের তিন বেলার সুষম খাবার। বয়স উপযোগী খেলাধুলা, শারীরিক ব্যায়াম, প্রাক-শিক্ষণ এবং বিকেলের বিশ্রামের মাধ্যমে সঠিক মানসিক ও শারীরিক বিকাশের পরিবেশ তৈরি করা হয়। এসব কার্যক্রম পরিচালনা করেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। প্রতিটি কেন্দ্রে শিশু যত্নকারী, স্বাস্থ্য শিক্ষক এবং প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকসহ মোট ১২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব পালন করেন। স্বল্প খরচে শিশুদের সার্বিক নিরাপত্তা ও যত্ন নিশ্চিত করা হয় এসব কেন্দ্রে।

    এখানে আয়ের ওপর ভিত্তি করে মাসিক খরচ নির্ধারণ করা হয়। শিশুর বয়স অনুসারে, মাসিক সেবামূল্য সর্বনিম্ন এক হাজার, সর্বোচ্চ ২ হাজার টাকা। তবে প্রকল্পের মাধ্যমে বিশেষ ভর্তুকির ব্যবস্থাও রয়েছে।

    প্রকল্প সূত্র মতে, ১১টি দিবাযত্ন কেন্দ্র নিয়ে প্রথম অবস্থায় শুরু হয় ২০১৬ সালে। তবে সেটি ২০১৮ সাল পর্যন্ত শুরু করা যায়নি। এরপর ওই সময়ে দিবাযত্ন কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়িয়ে ২০টি দিবাযত্ন কেন্দ্রের প্রকল্প শুরু হয়। মেয়াদ ধরা হয় ২০১৬ থেকে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এরপর এক বছর মেয়াদ (নো কস্ট এক্সটেনশন) বাড়ানো হয়। ২০২৩ সালে প্রথম সংশোধনী হয় এবং প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত করা হয়। ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত এক বছর মেয়াদ বাড়ানো হয়। ৮৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পে জনবল ২৪৯ জন। এর মধ্যে ১৮৫ জন চতুর্থ শ্রেণির, তাদের আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, গত বছরের জুলাই মাসে প্রকল্পের মেয়াদ এক বছর বাড়ানো হলেও বেতন-ভাতা পরিশোধ ও ঠিকাদারদের বিল দেওয়া নিয়ে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তেমন কোনো পদক্ষেপ না থাকায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বাড়তি মেয়াদের জন্য ১১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ছাড় হলেও অনুমোদন না হওয়ায় টাকা ব্যবহার করা যাচ্ছে না।

    ৫টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে খাবার সরবরাহ করছে তামান্না ট্রেডিং কর্পোরেশন। সেখানকার দায়িত্বে থাকা আল মামুন নামে এক কর্মকর্তা বলেন, ২০টির মধ্যে আমরা ৫টি সেন্টারে শিশুদের সকাল, দুপুর ও বিকেলের খাবার সরবরাহ করে থাকি। শিশুদের খাবার খুব যত্ন নিয়ে প্রস্তুত করা হয়। তবে কর্তৃপক্ষ ৯ মাস ধরে আমাদের পাওনা বিল পরিশোধ করেনি। আমাদের প্রায় ৩৮ লাখ টাকা বকেয়া পড়েছে। তাই খাবার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে মন্ত্রণালয় থেকে এই সপ্তাহে আমাদের বিল পরিশোধ করার আশ্বাস দিয়েছে। সেই আশ্বাসেই আবার খাবার পাঠানো হচ্ছে। বিল না দিলে এই সপ্তাহের বেশি সম্ভব হবে না।

    প্রকল্প প্রধান শবনম মোস্তারী বলেন, প্রকল্পে ছয় মাস পরে অনুমোদন এসেছে এবং  এক বছরের জন্য মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। মূলত ফেব্রুয়ারিতে হয়েছে এবং স্বাভাবিকভাবে সেটি অর্থ বছরের আট মাস পরে হয়। মূল প্রকল্পটা ছিল ৮৪ কোটি ৬১ লাখ সম্ভবত। এই প্রকল্পের জুন ২০২৫ সালে যখন শেষ হয়ে যায় তখন অব্যয়ীত যে অর্থ ছিল সেটি পরের অর্থ বছরে যুক্ত হয়ে এক বছরের জন্য মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছিল। সেটাও আবার ছয় মাস পরে সিদ্ধান্ত হয়। সব মিলিয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে।

    সমস্যার সমাধান নিয়ে তিনি বলেন, তিন মাসের বকেয়া বেতন দেওয়া হয়েছে। বাকি বেতন শিগগির দিয়ে দেওয়া হবে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো যেন খাবার সরবরাহ অব্যাহত রাখে, সেটা নিয়েও আমরা আলোচনা করছি। প্রকল্পটি ২০২৮ সাল পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোরও পরিকল্পনা হয়েছে। কেয়ার কমিটি প্রধান রয়েছে সিনিয়র সচিব তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেভাবে পরিচালিত হবে বলে জানান তিনি।

    এই প্রকল্পে সারাদেশে মোট ২০টি কেন্দ্র রয়েছে। যার মধ্যে ঢাকায় রয়েছে আর্কাইভ ও গ্রন্থাগার ভবনে, ভূমি ভবন, মতিঝিল, মহাখালী পর্যটন করপোরেশন, পানি ভবন, লালমাটিয়া, স্পেশাল ব্রাঞ্চ, সড়ক ভবন ও সমবায় ভবনে। আর ঢাকার বাইরে রয়েছে আশুলিয়া, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, নওগাঁ, গাইবান্ধা, রংপুর, কক্সবাজার, নোয়াখালী ও চাঁদপুরে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    নিজস্ব প্রতিবেদক

    Related Posts

    ২৬ আগস্ট ছুটি ঘোষণা, পাবেন না যারা

    August 14, 2026

    চট্টগ্রামে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ‘বিষাক্ত গ্যাসে’ নিহত বেড়ে ৭

    August 14, 2026

    নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাবেন কে?

    August 14, 2026
    সর্বশেষ
    জাতীয়

    পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    নিজস্ব প্রতিবেদকJuly 12, 2026

    অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষা, দ্রুত ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং…

    বাবার ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি

    July 11, 2026

    সূচকের উত্থানে লেনদেন ১৫৭৩ কোটি টাকা

    June 30, 2026

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    June 3, 2026

    সম্পাদক: মো: রিদুয়ানুল হক
    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এনামুল হক
    নির্বাহী সম্পাদক: রাশেদ রহমান

    ঠিকানা : ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার রোড (৩য় তলা), নয়াপল্টন, ঢাকা -১০০০, বাংলাদেশ।

    ইমেইল : arthodiganto@gmail.com
    যোগাযোগ : ০১৯১১২৭২৫৫৩

    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube WhatsApp
    • About Us
    • Terms of Use
    • Privacy Policy
    • Disclaimer
    • Sitemap
    • Contact Us
    © 2026 www.arthodiganto.com | Developed by Web Solution IT Ltd..

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.