এসএসসি ও অন্যান্য পাবলিক পরীক্ষার আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ.ন.ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, পরীক্ষা ব্যবস্থা আরও কার্যকর ও আধুনিক করতে সরকার এ আইন সংস্কারের বিষয়ে কাজ করছে।
শুক্রবার দুপুরে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলায় জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে শিক্ষিত ও সমাজে অবদান রাখা ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কোনো অবস্থাতেই কম শিক্ষিত বা শিক্ষানুরাগী নন—এমন ব্যক্তিদের পরিচালনা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে ম্যানেজিং কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত শিগ্গিরই নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী, আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নতুন আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। তাই বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষাগুলো সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে অনেক শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। সমাজে যাদের শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও অবদান রয়েছে, তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা যায় তা নিয়ে সরকার গুরুত্বসহকারে আলোচনা করছে। এ বিষয়ে সংসদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রী পর্যায়েও আলোচনা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তার অংশ হিসেবে কয়েকজনের মাঝে হুইল চেয়ারও বিতরণ করা হয়। এ সময় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
