বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩ , ২০২৬
১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এক ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীতে জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। দেশ-বিদেশের কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এতে অংশ নেন।

কূটনীতিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, ফিলিস্তিন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কানাডা, ভারত, তুরস্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভ্যাটিকান সিটি, ইরান, ব্রুনাই দারুসসালাম, মালদ্বীপ, আলজেরিয়া, কসোভো, মিশর, ভিয়েতনাম, মিয়ানমার, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নরওয়ে, নেপাল, ফিলিপাইন, নেদারল্যান্ডস, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া প্রমুখ দেশের রাষ্ট্রদূত এবং ইউএনডিপি, ইউএনএইচসিআর, ইউনিসেফ, ইউএনওডিসি, ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল, আইওএম-সহ অন্যান্য বিদেশি সংস্থাসমূহের প্রতিনিধিরা।

জামায়াত নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সাবেক, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুম, অ্যাডভোকেট মুয়াজ্জম হোসাইন হেলাল, মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দীন, আবদুর রব, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমান এবং অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত কূটনীতিকদের, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের ও সম্মানিত অতিথিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা এবং গঠনমূলক সম্পর্কের ভিত্তিতে বাংলাদেশ বিশ্বসম্প্রদায়ের সঙ্গে আরও ইতিবাচক ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক বোঝাপড়া, ন্যায়ভিত্তিক অবস্থান এবং মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্পর্ক আগামী দিনে আরও সুদৃঢ় হবে।

তিনি আরও বলেন, রমজানের শিক্ষা মানুষকে সংযম, সহমর্মিতা, ন্যায়বোধ ও মানবকল্যাণের দিকে আহ্বান জানায়। এ মূল্যবোধ ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনে ধারণ করা গেলে একটি শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। তিনি দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহ এবং সমগ্র বিশ্বমানবতার শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। পরিশেষে মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

Share.
Exit mobile version