Close Menu

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    নারী-শিশু নির্যাতন: এক মাসে হাইকোর্টের ১০ রায়

    July 17, 2026

    ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৫ হাজার, এখনো নিখোঁজ ৫০ হাজার

    July 17, 2026

    দৈনিক ৫ কোটি টাকার লেনদেন, সাড়ে ৬ হাজার সিমসহ গ্রেপ্তার ৬

    July 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Friday, July 17 , 2026
    অর্থ দিগন্ত
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    • প্রচ্ছদ
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • শেয়ার বাজার
    • খেলা
    • বিনোদন
    • লাইফস্টাইল
    • আরও
      • শিক্ষা
      • ব্যাংক বীমা
    অর্থ দিগন্ত
    Home»ব্যাংক বীমা»শেয়ারবাজারের ১০ ব্যাংক নামছে জেড ক্যাটাগরিতে

    শেয়ারবাজারের ১০ ব্যাংক নামছে জেড ক্যাটাগরিতে

    Reduanul Hoqueনিজস্ব প্রতিবেদকMay 3, 2026
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email Copy Link

    দেশের শেয়ারবাজারে ব্যাংক খাতে চাপ ক্রমেই বাড়ছে। টানা দুই বছর ডিভিডেন্ড ঘোষণা করতে ব্যর্থ হওয়ায় আরও অন্তত ১০টি তালিকাভুক্ত ব্যাংক ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সর্বনিম্ন ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামতে যাচ্ছে, যা সাধারণত জাঙ্ক স্টক হিসেবে পরিচিত।

    ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে এবি ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক। সিদ্ধান্তটি কার্যকর হলে এই ব্যাংকগুলো প্রথমবারের মতো সর্বনিম্ন ক্যাটাগরিতে পড়বে। ডিএসইর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস থেকেই ব্যাংকগুলোকে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামানো হবে। এর আগে গেল সপ্তাহে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক ও এসবিএসি ব্যাংককে ‘জেড’ ক্যাটাগরিতে নামানো হয়।

    বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংক খাতে ডিভিডেন্ড না দেওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে শ্রেণিকৃত ঋণ ও বিনিয়োগের বিপরীতে বড় ধরনের প্রভিশন ঘাটতি। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি অনুযায়ী, যেসব ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতি থাকে তারা ডিভিডেন্ড ঘোষণা করতে পারে না। নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণে বেশ কয়েকটি ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ডিফারাল সুবিধা নিয়েছে, যার ফলে আর্থিক দায় কিছুটা স্থগিত থাকলেও তারা মুনাফা বণ্টন করতে পারছে না। ২০২৫ সালের আর্থিক প্রতিবেদনে ব্যাংকগুলোর চাপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এবি ব্যাংক প্রায় ৩,৮৮৯ কোটি টাকার লোকসান করেছে এবং প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৬,৮৭৪ কোটি টাকা। আইএফআইসি ব্যাংকের লোকসান ২,৫৬০ কোটি টাকা, প্রভিশন ঘাটতি ১৮,৫৫৭ কোটি টাকা। অন্যদিকে, কিছু ব্যাংক সামান্য মুনাফা করলেও চাপ কাটাতে পারেনি। ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ২৩.২৫ কোটি এবং ওয়ান ব্যাংক ২৯.৮৪ কোটি টাকা মুনাফা করলেও তাদের প্রভিশন ঘাটতি যথাক্রমে ৫,০০০ কোটি ও ১,৭০০ কোটির বেশি। আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক ৮৫ কোটি টাকা মুনাফার বিপরীতে প্রায় ৪,৯৯৮ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতিতে রয়েছে। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মুনাফা ১২১ কোটি হলেও ঘাটতি ২,১৬১ কোটি টাকা।

    এনআরবি ব্যাংক ১৩.৮১ কোটি এবং এনআরবিসি ব্যাংক ১৩.২৫ কোটি টাকা মুনাফা করলেও তাদের প্রভিশন ঘাটতি যথাক্রমে ১৮০ কোটি ও ১,০০৬ কোটি টাকা। প্রিমিয়ার ব্যাংক প্রায় ৯৯৩ কোটি টাকার লোকসানের পাশাপাশি ৬,০৮৯ কোটি টাকার ঘাটতিতে রয়েছে। রূপালী ব্যাংক ২৩.২৫ কোটি টাকা মুনাফা করলেও প্রভিশন ঘাটতি ১৪,০১৪ কোটি টাকা। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ সর্বোচ্চ ৮৪,৬১৫ কোটি টাকার প্রভিশন ঘাটতিতে রয়েছে, যদিও তারা ১৩৬ কোটি টাকা মুনাফা দেখিয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, এই ডাউনগ্রেড ব্যাংক খাতের মৌলিক দুর্বলতা—বিশেষ করে কর্পোরেট সুশাসন, সম্পদের মান এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি—উন্মোচিত করছে। ‘জেড’ ক্যাটাগরির শেয়ারগুলোকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়। এসব শেয়ারের ক্ষেত্রে টি+২-এর বদলে টি+৩ সেটেলমেন্ট, শুধুমাত্র নগদ লেনদেন এবং মার্জিন ঋণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় বাজারে তারল্য কমে যায়। বর্তমানে দেশের শেয়ারবাজারে ৩৬টি ব্যাংক তালিকাভুক্ত। নতুন ১০টি ব্যাংক যুক্ত হলে জাঙ্ক ক্যাটাগরিতে মোট ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়াবে ১৫টি, যা মোট তালিকাভুক্ত ব্যাংকের প্রায় ৪২ শতাংশ।

    এছাড়া, আরও পাঁচটি ব্যাংক—সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সিম ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক—মার্জার প্রক্রিয়ার কারণে বর্তমানে লেনদেন স্থগিত রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতি এবং অতীতে যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই ঋণ বিতরণ এই সংকটের মূল কারণ। ২০২৪ সালের পর থেকে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কঠোর নজরদারিতে ব্যাংকগুলোর প্রকৃত আর্থিক দুর্বলতা আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। একজন জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক বলেন, খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর নিয়ন্ত্রণ জরুরি হলেও এর খেসারত দিচ্ছেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। ডিভিডেন্ড কমে যাওয়ায় তাদের আয়ের পথ সংকুচিত হচ্ছে।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    নিজস্ব প্রতিবেদক

    Related Posts

    সূচকের উত্থানে দুই ঘণ্টায় লেনদেন ৮০৩ কোটি টাকা

    July 15, 2026

    সূচকের উত্থানে লেনদেন ১ হাজার ৬৬৯ কোটি টাকা

    July 12, 2026

    শেয়ারবাজারে সাপ্তাহিক লেনদেনের ১৮ শতাংশই বস্ত্র খাতের দখলে

    July 11, 2026
    সর্বশেষ
    জাতীয়

    পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    নিজস্ব প্রতিবেদকJuly 12, 2026

    অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষা, দ্রুত ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং…

    বাবার ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি

    July 11, 2026

    সূচকের উত্থানে লেনদেন ১৫৭৩ কোটি টাকা

    June 30, 2026

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    June 3, 2026

    সম্পাদক: মো: রিদুয়ানুল হক
    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এনামুল হক
    নির্বাহী সম্পাদক: রাশেদ রহমান

    ঠিকানা : ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার রোড (৩য় তলা), নয়াপল্টন, ঢাকা -১০০০, বাংলাদেশ।

    ইমেইল : arthodiganto@gmail.com
    যোগাযোগ : ০১৯১১২৭২৫৫৩

    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube WhatsApp
    • About Us
    • Terms of Use
    • Privacy Policy
    • Disclaimer
    • Sitemap
    • Contact Us
    © 2026 www.arthodiganto.com | Developed by Web Solution IT Ltd..

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.