বৃহস্পতিবার, মে ১৪ , ২০২৬
৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্যানসারসহ নানা রোগের ঝুঁকি: অপরিপক্ব ফল রঙিন করতে কার্বাইড ও হরমোন দেওয়া হচ্ছে, বিক্রি হচ্ছে দ্বিগুণেরও বেশি দামে * দেখতে পাকা, কেনার পর বাসায় দেখা যায় সব কাঁচা। আগাম ফলের বাজার দখলে নিয়েছে কেমিক্যাল সিন্ডিকেট। অতি মুনাফার আশায় মৌসুম শুরুর আগেই অপরিক্ব আম-লিচুতে কার্বাইড, ইথোফেন ও বিভিন্ন হরমোন ব্যবহার করে কৃত্রিমভাবে পাকিয়ে বাজারে ছাড়া হচ্ছে। বাইরে থেকে টকটকে হলুদ বা লাল দেখালেও বাসায় নেওয়ার পর অনেক ফলের ভেতর মিলছে কাঁচা ও স্বাদহীন অবস্থা। অথচ এসব ফলই বাজারে দ্বিগুণের বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রকাশ্যে এমন কারসাজি চললেও নেই কার্যকর নজরদারি। ফলে একদিকে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা, অন্যদিকে নীরবে ক্যানসার, কিডনি ও লিভারের জটিলতাসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে পুরো জাতিকে। গত ২৯ এপ্রিল সাতক্ষীরা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে কেমিক্যাল ও কার্বাইড দিয়ে পাকানো প্রায় ৯ হাজার কেজি অপরিপক্ব আম জব্দ করে পুলিশ। সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ এই চালানটি জব্দ করে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ২টার দিকে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রাক তল্লাশি করে ৩৫১ ক্যারেট আম জব্দ করা হয়। যার ওজন প্রায় ৯ হাজার কেজি। এসব আম কেমিক্যাল ও কার্বাইড ব্যবহার করে অপরিপক্ব অবস্থাতেই পাকানো হয়েছিল। গত ২৯ এপ্রিল সাতক্ষীরা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পথে কেমিক্যাল ও কার্বাইড দিয়ে পাকানো প্রায় ৯ হাজার কেজি অপরিপক্ব আম জব্দ করে পুলিশ। সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ এই চালানটি জব্দ করে। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ২টার দিকে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযান চালায়। এ সময় সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রাক তল্লাশি করে ৩৫১ ক্যারেট আম জব্দ করা হয়। যার ওজন প্রায় ৯ হাজার কেজি। এসব আম কেমিক্যাল ও কার্বাইড ব্যবহার করে অপরিপক্ব অবস্থাতেই পাকানো হয়েছিল।

Share.
Exit mobile version