মঙ্গলবার, জুন ২ , ২০২৬
১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দীর্ঘ সময় স্থবির থাকার পর আবারও সচল হওয়ার পথে টেকনাফ স্থলবন্দরকেন্দ্রিক বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্ত বাণিজ্য। প্রায় ১ বছর পর বৃহস্পতিবার টেকনাফ থেকে মায়ানমারের উদ্দেশে ৬৫ মেট্রিক টন আলু রপ্তানির মাধ্যমে এ কার্যক্রম নতুন করে শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে আলুভর্তি একটি কাঠের নৌযান টেকনাফ স্থলবন্দর ছেড়ে যায়। সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ থাকার পর এটিই বাংলাদেশ থেকে মায়ানমারে প্রথম নিত্যপণ্য রপ্তানির ঘটনা বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এর আগে গত ১ এপ্রিল মায়ানমারের মংডু এলাকা থেকে একই ধরনের নৌযানে করে টেকনাফ বন্দরে ৯৬৩ পিস চম্পাফুল ও গর্জন কাঠ আমদানি করা হয়েছিল, যা সীমিত পরিসরে বাণিজ্য পুনরারম্ভের ইঙ্গিত দেয়।

স্থলবন্দরের শুল্ক বিভাগ জানায়, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের মাধ্যমে আলুর চালানটি পাঠানো হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন পর বন্দরের কার্যক্রমে গতি ফিরে এসেছে। বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানান, সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে পণ্যবাহী নৌযানটি মায়ানমারের পথে যাত্রা করেছে। আমদানি-রপ্তানিকারকরা বলছেন, সরকারের সহায়তায় বাণিজ্য শুরু হলেও পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম সচল করতে ব্যাংকিং জটিলতা দ্রুত সমাধান জরুরি।
উল্লেখ্য, রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের কারণে দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকার নিয়ন্ত্রণ পরিবর্তন হয় এবং নাফ নদীর মায়ানমার অংশে নৌযান চলাচলেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত বছরের এপ্রিল থেকে সীমান্ত বাণিজ্য কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এতে ব্যবসায়ীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হন, তেমনি রাজস্ব আয়ে বড় ধরনের ঘাটতি পড়ে।

Share.
Exit mobile version