বন্ধ শিল্প-কারখানা সচল করে কর্মসংস্থান বাড়াতে, কম সুদের বিশেষ তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা চিহ্নিত করতে নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। ইচ্ছাকৃত খেলাপি ও অর্থ আত্মসাতকারীরা এ সুবিধার বাইরে থাকবে। প্রাথমিকভাবে ১০০ কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণ রয়েছে, এমন প্রতিষ্ঠান এ স্কিমের আওতায় আসবে। জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে অনেক শিল্প-কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কারখানার সম্পদ, চাকরি হারিয়েছেন অনেকে।
এমন বাস্তবতায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ হিসেবে প্রথম ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যে ব্যাংকগুলো থেকে আড়াই হাজারের মতো বন্ধ ও ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের নাম সংগ্রহ করা হয়েছে। বন্ধ ও ধুঁকতে থাকা বড় শিল্প-কারখানাগুলো চালু করতে একটি বিশেষ তহবিল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে তহবিলের আকার কত হবে সেটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, কোনো প্রতিষ্ঠানকে রাজনৈতিক বিবেচনায় ঢালাওভাবে সুবিধা দেয়া হবে না। ব্যাংকগুলো থেকে এ ব্যাপারে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এসব কারখানা যদি ঋণখেলাপি হয়ে থাকে, তাহলে তহবিল সুবিধা দেয়ার আগে সহজ শর্তে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের সুবিধা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে অর্থ পাচার ও বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো এই সুযোগ পাবে না বলে জানায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
