Close Menu

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    নারী-শিশু নির্যাতন: এক মাসে হাইকোর্টের ১০ রায়

    July 17, 2026

    ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ৫ হাজার, এখনো নিখোঁজ ৫০ হাজার

    July 17, 2026

    দৈনিক ৫ কোটি টাকার লেনদেন, সাড়ে ৬ হাজার সিমসহ গ্রেপ্তার ৬

    July 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Friday, July 17 , 2026
    অর্থ দিগন্ত
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    • প্রচ্ছদ
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • শেয়ার বাজার
    • খেলা
    • বিনোদন
    • লাইফস্টাইল
    • আরও
      • শিক্ষা
      • ব্যাংক বীমা
    অর্থ দিগন্ত
    Home»টপ নিউজ ১»একীভূত পাঁচ ব্যাংকের ভবিষ্যৎ জানতে চান দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসকরা

    একীভূত পাঁচ ব্যাংকের ভবিষ্যৎ জানতে চান দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসকরা

    Reduanul Hoqueনিজস্ব প্রতিবেদকApril 27, 2026
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email Copy Link

    নতুন ব্যাংক রেজল্যুশন আইনে আগের মালিকদের পুনরায় নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় একীভূত পাঁচটি ব্যাংকের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এতে আমানতকারীদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে এবং অনেকেই তাদের আমানত তুলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ মুনাফা ছাড়াই শুধু মূলধন ফেরত নিতেও আগ্রহী হচ্ছেন।

    এ পরিস্থিতিতে একীভূতকরণ প্রক্রিয়া আগের মতো চলবে কি না—সে বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসকরা। রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে বৈঠকে তারা চলমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

    অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২০২৫ সালের ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ অনুযায়ী শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংক—EXIM Bank Limited, Social Islami Bank Limited, First Security Islami Bank Limited, Union Bank Limited এবং Global Islami Bank Limited—একত্রিত করে একটি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করে। এ প্রক্রিয়া তদারকির জন্য গত বছরের নভেম্বরে পাঁচজন প্রশাসক নিয়োগ দেয় Bangladesh Bank।

    সম্প্রতি পাস হওয়া ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬–এ নতুন ১৮(ক) ধারা যুক্ত করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক একীভূত ব্যাংকে যে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে তার ৭.৫ শতাংশ পরিশোধ করে আগের মালিকরা আবার নিয়ন্ত্রণ নিতে পারবেন। একীভূত হওয়ার আগে EXIM ব্যাংক ছিল নাসা গ্রুপের কর্ণধার Nazrul Islam Mazumder–এর নিয়ন্ত্রণে। আর বাকি চারটি ব্যাংক পরিচালিত হতো S Alam Group–এর অধীনে।

    বৈঠক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই এসব ব্যাংকের আমানতকারীরা সহজে টাকা তুলতে পারছিলেন না। তবে ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে সরকারি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার ঘোষণায় কিছুটা আস্থা ফিরে আসে। পরে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জন্য মুনাফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত (হেয়ারকাট) জানানো হলে পরিস্থিতি আবার অস্থির হয়ে ওঠে। যদিও পরবর্তীতে ৪ শতাংশ হারে মুনাফা দেওয়ার ঘোষণা দিলে সাময়িক স্বস্তি ফিরে আসে। কিন্তু নতুন আইনের ধারা যুক্ত হওয়ায় আবারও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

    প্রশাসকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে প্রতিদিনই আমানতকারীরা টাকা উত্তোলনের জন্য চাপ দিচ্ছেন। অনেকেই মুনাফা ত্যাগ করে শুধু মূলধন ফেরত নিতে চাইছেন। ফলে ব্যাংকগুলো নতুন আমানত সংগ্রহ করতে পারছে না। এমনকি আগে যে ঋণ আদায় হচ্ছিল, সেটিও প্রায় থেমে গেছে।

    এ অবস্থায় আইনে নতুন ধারা সংযোজনের উদ্দেশ্য কী—তা স্পষ্ট করা জরুরি বলে মনে করছেন প্রশাসকরা। যদি পুরোনো মালিকদের ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকে, তবে সেটি কীভাবে বাস্তবায়ন হবে এবং আমানতকারীদের অর্থ কীভাবে সুরক্ষিত থাকবে, সে বিষয়ে পরিষ্কার নির্দেশনা প্রয়োজন।

    তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর Mostak Ahmed Rahman। তিনি বলেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    তথ্য অনুযায়ী, দুর্বল এই পাঁচ ব্যাংককে বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ হিসেবে মোট ৪৭ হাজার ৮৪ কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একীভূত হয়ে গঠিত নতুন ইসলামী ব্যাংকে সরকার মূলধন হিসেবে দিয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। আমানতকারীদের দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত নিশ্চিত করতে আমানত বীমা ট্রাস্ট তহবিল থেকে আরও ১২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত এই পাঁচ ব্যাংকের মোট ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৮২৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা খেলাপিতে পরিণত হয়েছে, যা মোট ঋণের ৮৪.২৩ শতাংশ। তুলনায় পুরো ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার ৩০.৬০ শতাংশ।

    এছাড়া একই সময়ে দেশের ২২টি ব্যাংকের মোট মূলধন ঘাটতি ছিল ২ লাখ ৮২ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা, যার মধ্যে এই পাঁচ ব্যাংকের ঘাটতির পরিমাণই ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৯১ কোটি টাকা।

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    নিজস্ব প্রতিবেদক

    Related Posts

    নারী-শিশু নির্যাতন: এক মাসে হাইকোর্টের ১০ রায়

    July 17, 2026

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

    July 16, 2026

    প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত

    July 16, 2026
    সর্বশেষ
    জাতীয়

    পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    নিজস্ব প্রতিবেদকJuly 12, 2026

    অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষা, দ্রুত ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং…

    বাবার ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি

    July 11, 2026

    সূচকের উত্থানে লেনদেন ১৫৭৩ কোটি টাকা

    June 30, 2026

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    June 3, 2026

    সম্পাদক: মো: রিদুয়ানুল হক
    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এনামুল হক
    নির্বাহী সম্পাদক: রাশেদ রহমান

    ঠিকানা : ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার রোড (৩য় তলা), নয়াপল্টন, ঢাকা -১০০০, বাংলাদেশ।

    ইমেইল : arthodiganto@gmail.com
    যোগাযোগ : ০১৯১১২৭২৫৫৩

    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube WhatsApp
    • About Us
    • Terms of Use
    • Privacy Policy
    • Disclaimer
    • Sitemap
    • Contact Us
    © 2026 www.arthodiganto.com | Developed by Web Solution IT Ltd..

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.