মঙ্গলবার, এপ্রিল ২১ , ২০২৬
৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বরূপকাঠি পৌরসভার মধ্যে ০১ ওয়ার্ডে এস এ ১৪৬ দাগের  বৈধ সম্পত্তির অধিকার না দেওয়ার জন্য প্রতিবেশী দুলাল আচার্য়্যের বিরুদ্ধে স্বরূপকাঠিতে ঘরোয়া পরিবেশে  সংবাদ সন্মেলন করেন শুভ্রত আচার্য্য।দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী দুলাল আচার্য্যের সাথে মতবিরোধ চলে আসছিল। অথচ গত মঙ্গলবার পিরোজপুর কথার অফিস কার্যালয়ে দুলাল আচার্য্য প্রতিপক্ষ শুভ্রত আচার্য্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সন্মেলন করেন । আর সেই সংবাদ সন্মেলনের বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সন্মেলন করলেন স্বরূপকাঠিতে শুভ্রত আচার্য্য। ঘরোয়া পরিবেশে সংবাদ সন্মেলনে শুভ্রত আচার্য্য বলেন, জায়গা জামির দলিল এবং সম্পত্তির সঠিক তথ্য তুলে না ধরে মামলাবাজ দুলাল আচার্য্য মিথ্যা তথ্য তুলে ধরলেন জেলার সংবাদ সন্মেলনে। পাশাপাশি শুভ্রত আচার্য্যকে ভূমি খোর এবং মাস্তান হিসেবে তুলে ধরলেন জেলা শহরের একটা পত্রিকা অফিসের কার্যালয়ে বসে। বৃহস্পতিবারের পাল্টা  সাংবাদিক সন্মেলনে শুভ্রত আচার্য্য বলেন, আমাদের সম্পত্তির একটা দলিল ৬১/ ৯৫ ইংরেজি তারিখের।উক্ত দলিলের এস এ দাগ- ১৪৬,বিএস দাগ- ৮৫। দলিলের চৌহদ্দি  উত্তরে নাজমুল হক লিটন,পূর্বে সরকারি খাল,পশ্চিমে দুর্গা মন্দির, দক্ষিণে মূল মালিক আমার মা গীতা রানী আচার্য্য। দশ শতাংশ সম্পত্তি থেকে দাতা বেনু বালা আচার্য্য ,গ্রহীতা দুলাল আচার্য্য ও মানিক আচার্য্য। সরকারি রাস্তা  হইতে পূর্ব পশ্চিমে রাস্তা সহ অত্র দলিলের বিক্রিত যা স্বত্ব দলিলের মুল গর্বে উল্লেখ আছে।

তিনি আরও বলেন বিএস ৩৩৪নং খতিয়ানে ১১ শতাংশ জমি রেকর্ড করে নিয়েছেন। দেওয়ানী মামলা নং ৯২/২২ মামলায় সাড়ে ছয় শতাংশ জমি দাবী করে এবং মনগড়া চৌহদ্দি দিয়ে   মিথ্যা  দিয়ে হয়রানি করে আমাদের পরিবারকে। বিগত সময়ে আওয়ামী লীগের সময়ে  সাবেক পৌর মেয়র জি এম কবিরের প্রচেষ্টায় সামাজিক ভাবে সুন্দর সমাধান দেওয়ার চূড়ান্ত রায় কার্যকর করেন। কিন্তু এই দুলাল আচার্য্য শালিসি বৈঠকের রায় মেনেও নেয়।কিন্তু কুটকৌশলী দুলাল আচার্য্য  পরের দিন সবকিছু উপেক্ষা করে  আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। যদিও পরবর্তী সময়ে মামলার রায় শুভ্রত আচার্যের পক্ষে যায়। অথচ বিজ্ঞ আদালতের রায়কে আবারও উপেক্ষা করে বার বার তালবাহানা সহ সংবাদ সন্মেলন করতে কুন্ঠা বোধ করেননি দুলাল আচার্য্য।

শুভ্রত আচার্য্য সংবাদ সন্মেলনে আরও বলেন দুলাল আচার্য্য গত ১৬-০৯-২০২৫ তারিখে ১৯৪/২০২৫ মামলা গত ৩০/১০/২০২৫ তারিখে তদন্তের পর পরই দুলাল সবকিছু প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। অথচ কুট কৌশলী দুলাল আচার্য্য কিভাবে আমার বিরুদ্ধে সংবাদ সন্মেলন করলেন আর সেই প্রশ্ন আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম। এছাড়াও এমপি কেস নং ৩১২/২০২৫ ইংরেজি ১৪৪/৪৫ মামলাও গত ১৫-১২-২০২৫ তারিখে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আসলে দুলাল আচার্য্য বহুরূপী হওয়ার কারনে সমাজের নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে মনগড়া বেআইনী কাজকর্ম করে বিগত সময়ে দারুণ বিতর্কিত। আপনারা জাতির চতুর্থ স্তম্ভ এবং কলম সৈনিক। আপনারা সঠিক দায়িত্ব নিয়ে সঠিক কথা তুলে ধরার অনুরোধ রইলো। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী শুভ্রত আচার্য্য বলেন, এছাড়াও এমপিও কেস নং ৩২১/২০২৫ ইংরেজি তারিখের মামলাও ০৭-১২-২০২৫  তারিখে করা মামলাও গত ২৭-০১-২০২৬ তারিখে বিজ্ঞ আদালত নথি জাত করে দিয়েছেন। সুতরাং আমি নিশ্চিত আমার প্রতিপক্ষ এবং প্রতিবেশী নোংরা রাজনীতি করে অহেতুক হয়রানি করার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে রয়েছে আমার বিরুদ্ধে। নইলে হুটহাট করে মিথ্যা তথ্য অনুযায়ী পিরোজপুর কথার অফিস কার্যালয়ে দুলাল আচার্য্য সংবাদ সন্মেলন করতে কুন্ঠা বোধ করেননি।আর সেই কারনে  আমি তীব্র প্রতিবাদ সহ নিন্দা জানাই। পাশাপাশি স্বরূপকাঠি উপজেলার সকল গণ মাধ্যম কর্মীদের সন্মানে বলবো, আপনারা সঠিক তথ্য উদঘাটন করে প্রকৃত সত্য ঘটনা তুলে ধরার অনুরোধ রইলো। আমি রাষ্ট্রের আইন কানুন মেনে যথাযথ মর্যাদায় বসবাস করতে বদ্ধ পরিকর। অপরদিকে দুলাল আচার্য্য রাষ্ট্রের আইন কানুনের তোয়াক্কা না করে মনগড়া যা খুশী তাই করে যাচ্ছেন যত্রতত্র ভাবে।

Share.
Exit mobile version