Close Menu

    Subscribe to Updates

    Get the latest creative news from FooBar about art, design and business.

    What's Hot

    ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক দিলেন সোনম ওয়াংচুক

    August 14, 2026

    ২৬ আগস্ট ছুটি ঘোষণা, পাবেন না যারা

    August 14, 2026

    চট্টগ্রামে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ‘বিষাক্ত গ্যাসে’ নিহত বেড়ে ৭

    August 14, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    Saturday, August 15 , 2026
    অর্থ দিগন্ত
    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube
    • প্রচ্ছদ
    • জাতীয়
    • রাজনীতি
    • অর্থনীতি
    • আন্তর্জাতিক
    • সারাদেশ
    • শেয়ার বাজার
    • খেলা
    • বিনোদন
    • লাইফস্টাইল
    • আরও
      • শিক্ষা
      • ব্যাংক বীমা
    অর্থ দিগন্ত
    Home»জাতীয়»সরকারি দাম তোয়াক্কা না করেই বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস

    সরকারি দাম তোয়াক্কা না করেই বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাস

    Reduanul Hoqueনিজস্ব প্রতিবেদকFebruary 26, 2026
    Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    Share
    Facebook Twitter LinkedIn Pinterest Email Copy Link

    রাজধানীর গ্রিনরোড এলাকার বাসিন্দা মোকাররম হোসেন। তিন সন্তান আর স্ত্রী নিয়ে সংসার। নিজে একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ইদানীং তার দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে গ্যাস সংকট আর সিলিন্ডার গ্যাসের বাড়তি দাম। তার ভাষ্য, বাসায় লাইনের গ্যাস সব সময় থাকে না। এজন্য বিকল্প উপায় হিসেবে এলপিজি সিলিন্ডার রাখতে হয়। এতে বাড়তি খরচ গুনতে হয় তাকে। তার এই বাড়তি খরচ আরও বেড়ে গেছে এলপিজির লাগামহীন দামে। মোকাররম জাগো নিউজকে বলেন, প্রতি মাসে লাইনের গ্যাস বিল তো দিতে হয়। বাসায় ছোট বাচ্চা, ওদের জন্য হুটহাট খাবার রেডি করতে হয়। এখন গ্যাস তো আর সব সময় থাকে না, এজন্য বাধ্য হয়ে বিকল্প হিসেবে সিলিন্ডার রেখেছি, যাতে যে কোনো সময় অন্তত খাবার রান্না করা যায়। এখন দেখছি এটাও বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে চিঠি দিয়েছি। সেখান থেকে জেলা প্রশাসকদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। ভোক্তা অধিদপ্তরকেও জানিয়েছি। সবাই কাজ করছে।-বিইআরসি সদস্য (গ্যাস) মো. মিজানুর রহমান তিনি বলেন, সিলিন্ডার সরকারি দামে কিনতে পারি না। এই মাসেও ১৯শ টাকা দিয়ে কিনেছি। এমনিতেই জিনিসপত্রের দাম বেশি। তার ওপর গ্যাসের জন্য বাড়তি চাপ নিতে হচ্ছে। মধ্যবিত্তের সংসারে আমরা এক-দুইশ টাকাও হিসাব করে খরচ করি।

    শুধু মোকাররম নন, রাজধানীতে পরিবার নিয়ে কোনোভাবে টিকে আছেন এমন অনেকেই লাইনের গ্যাস না থাকা ও এলপিজির বাড়তি দামে বেশ বিড়ম্বনায় আছেন। বাসাবাড়িতে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের ব্যবহার বেশি। এলপিজির দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সেই দামের তোয়াক্কা করে না কেউ। কখনো কৃত্রিম সংকট আবার কখনো অসাধু ব্যবসায়ীরা মুনাফার লোভে বাড়তি দামে এলপিজি বিক্রি করছেন।

    ১২ কেজি সিলিন্ডারের সরকারি মূল্য ১ হাজার ৩৪১ টাকা। তবে বাজারে সেই দামে কোথাও মিলছে না সিলিন্ডার। ভোক্তাদের অভিযোগ, অধিকাংশ বিক্রয়কেন্দ্রে নির্ধারিত দামের চেয়ে বাড়তি টাকা গুনেই এলপিজি কিনতে হচ্ছে। ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো পড়েছে চাপে। এদিকে এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণে সরকার ভ্যাট কমিয়েছে। ফলে সরকার নির্ধারিত বিক্রয়মূল্য কিছুটা কমলেও বাজারে তার প্রতিফলন নেই। খুচরা পর্যায়ে বিক্রেতারা পরিবহন খরচ, ডিলার কমিশন ও সরবরাহ সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত দাম আদায় করছেন।

    বিইআরসি ঘরে বসে দাম নির্ধারণ করে। দাম নির্ধারণের জন্য গণশুনানি হওয়ার কথা। সেখানে ব্যবসায়ীদের থাকার কথা। কিন্তু কোনোটিই হয় না। এজন্য বিইআরসি যে দাম নির্ধারণ করে ব্যবসায়ীরা তা মানে না।-ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা প্রফেসর ড. শামসুল আলম

    টঙ্গীর এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবসায়ী মিঠু জাগো নিউজকে বলেন, ‘সিলিন্ডার আছে, দাম ১৯শ টাকা।’ দাম এত বেশি কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা তো কিনতে পারি না। ফেসবুকের দামের হিসাব কইরা লাভ নাই। অন্য জায়গায় কম দামে পাইলে সেইখান থেইক্যা ন্যান।’লালবাগের বাসিন্দা ফাতেমা আক্তার বলেন, ‘১৮শ টাকা দিয়ে সিলিন্ডার কিনছি। কোথাও কম দামে পাইলাম না। শুধু শুনি যে সরকার দাম কমাইছে। বাজারে কিনতে গেলে তো পাই না।’

    ধানমন্ডির এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রেতা জাহিদুল ইসলাম বলেন, আমাদের খরচা হয় বেশি। অনেকের বাসায় নিয়ে ডেলিভারি দিয়ে আসতে হয়। পরিবহন খরচ আছে। কেনা পড়ে বেশি টাকায়। বেশি দামে কিনে কম দামে বিক্রি করব কীভাবে! এজন্য সরকারি দামে বিক্রি করতে পারি না।

    ভ্যাট কমার প্রভাব নেই সিলিন্ডারের দামে
    বাজার স্থিতিশীল রাখা ও ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটি রাখতে সরকার তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) ওপর সামগ্রিক ভ্যাট কমিয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, বিদ্যমান ব্যবস্থায় এলপিজির স্থানীয় উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রযোজ্য ছিল এবং আমদানি পর্যায়ে ২ শতাংশ অগ্রিম কর (এটি) পরিশোধ করতে হতো। শিল্পকারখানা ও গৃহস্থালি- উভয় ক্ষেত্রেই এলপিজিকে একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে বিবেচনা করে জনস্বার্থে কর কাঠামো যৌক্তিক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আলাদা দুটি প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ের ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং আমদানি পর্যায়ের ২ শতাংশ অগ্রিম কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর পরিবর্তে এলপিজির আমদানি পর্যায়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়েছে। ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত এটা কার্যকর থাকবে। এই পুনর্বিন্যাসের ফলে আমদানির পর স্থানীয় উৎপাদন ও বিতরণ পর্যায়ে মূল্য সংযোজনের ওপর আর কোনো ভ্যাট প্রযোজ্য হবে না। অর্থাৎ, সরবরাহ শৃঙ্খলের বিভিন্ন স্তরে একাধিকবার ভ্যাট আরোপের পরিবর্তে এখন কেবল আমদানি পর্যায়েই একবার কর আদায় করা হবে। এনবিআর জানায়, এসআরও কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে আগের কাঠামোর তুলনায় ভোক্তাদের ওপর সামগ্রিক ভ্যাটের চাপ প্রায় ২০ শতাংশ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে দাম কমার পরেও বাড়তি দাম দিয়ে ভোক্তাদের সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে।

    গত ২ মাসে এলপিজির সরকারি দামের চিত্র
    ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে ১২ কেজির এলপিজির দাম ছিল ১ হাজার ৩০৬ টাকা। গত ২ ফেব্রুয়ারি ৫০ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা নতুন দাম নির্ধারণ করে বিইআরসি। পরে এনবিআর এলপিজির উৎপাদন পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর (মূসক) প্রত্যাহার করে আমদানি পর্যায়ে মূসক আরোপের ফলে ভোক্তা পর্যায়ে সরকারি-বেসরকারি এলপিজির মূল্য সমন্বয় করে বিইআরসি। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা নির্ধারণ করে সংস্থাটি।

    যা বলছে বিইআরসি
    বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সদস্য (গ্যাস) মো. মিজানুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য আমরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে চিঠি দিয়েছি। সেখান থেকে জেলা প্রশাসকদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। ভোক্তা অধিদপ্তরকেও জানিয়েছি। সবাই কাজ করছে।’ তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাসে এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৩২ হাজার মেট্রিক টন এলপিজি এসেছে। এ মাসের আরও তো কিছুটা সময় বাকি আছে। একটু ধৈর্য ধরেন, আশা করি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’

    কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা প্রফেসর ড. শামসুল আলম জাগো নিউজকে বলেন, ‘বিইআরসি ঘরে বসে দাম নির্ধারণ করে। দাম নির্ধারণের জন্য গণশুনানি হওয়ার কথা। সেখানে ব্যবসায়ীদের থাকার কথা। কিন্তু কোনোটিই হয় না। এজন্য বিইআরসি যে দাম নির্ধারণ করে ব্যবসায়ীরা তা মানে না। ব্যবসায়ীরা বিইআরসির ধার্য করা দাম না মানলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা, জরিমানা এমনকি লাইসেন্স বাতিল করার ক্ষমতা রয়েছে। তবে বিইআরসি সেটিও করে না।’তিনি বলেন, ‘এজন্য ব্যবসায়ীদের বিচার বিইআরসি করবে। বিইআরসির বিচার সরকার করবে। তবে কেউ তার দায়িত্ব পালন করে না। দিনশেষে ভোক্তার পকেট কাটা হয়।’

    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email
    নিজস্ব প্রতিবেদক

    Related Posts

    ২৬ আগস্ট ছুটি ঘোষণা, পাবেন না যারা

    August 14, 2026

    চট্টগ্রামে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে ‘বিষাক্ত গ্যাসে’ নিহত বেড়ে ৭

    August 14, 2026

    নতুন রাষ্ট্রপতিকে শপথ পাঠ করাবেন কে?

    August 14, 2026
    সর্বশেষ
    জাতীয়

    পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    নিজস্ব প্রতিবেদকJuly 12, 2026

    অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষা, দ্রুত ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং…

    বাবার ‘নিষ্পাপ রক্তের’ প্রতিশোধ নেওয়া হবে: মোজতবা খামেনি

    July 11, 2026

    সূচকের উত্থানে লেনদেন ১৫৭৩ কোটি টাকা

    June 30, 2026

    পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

    June 3, 2026

    সম্পাদক: মো: রিদুয়ানুল হক
    ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: এনামুল হক
    নির্বাহী সম্পাদক: রাশেদ রহমান

    ঠিকানা : ৫০/এফ, ইনার সার্কুলার রোড (৩য় তলা), নয়াপল্টন, ঢাকা -১০০০, বাংলাদেশ।

    ইমেইল : arthodiganto@gmail.com
    যোগাযোগ : ০১৯১১২৭২৫৫৩

    Facebook X (Twitter) Instagram YouTube WhatsApp
    • About Us
    • Terms of Use
    • Privacy Policy
    • Disclaimer
    • Sitemap
    • Contact Us
    © 2026 www.arthodiganto.com | Developed by Web Solution IT Ltd..

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.