সোমবার, এপ্রিল ২০ , ২০২৬
৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন গির্জায় শুরু হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা। রাজধানীর কাকরাইলের সেন্ট মেরি’স ক্যাথেড্রাল, তেজগাঁও জপমালা রানীর গির্জা, মোহাম্মদপুরের সেন্ট ক্রিস্টিনা চার্চসহ নানা গির্জা সেজেছে বর্ণিল সাজে। আজ শুভ বড়দিন (ক্রিসমাস)। খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। খ্রিস্টান ধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট ২৫ ডিসেম্বর বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেন। খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা এ দিনটিকে ‘ক্রিসমাস ডে’ বা ‘শুভ বড়দিন’ হিসেবে উদযাপন করে থাকেন। সকাল থেকে শুরু হয়েছে বড়দিনের প্রার্থনা।

খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ বিশ্বাস করেন, সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচারের মাধ্যমে মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতেই যিশুর পৃথিবীতে আগমন ঘটেছিল। বড়দিন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের গির্জাগুলোকে বর্ণিল আলোকসজ্জা ও দৃষ্টিনন্দন সাজে সাজানো হয়েছে। গির্জার ভেতরে স্থাপন করা হয়েছে যিশুর জন্মের স্মারক ‘গোয়ালঘর’ এবং রঙিন ক্রিসমাস ট্রি। বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা থেকেই রাজধানীর বড় হোটেলগুলোতে আলোকসজ্জার পাশাপাশি সান্তাক্লজ ও উপহারের পসরা সাজিয়ে উৎসবের আমেজ তৈরি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন গির্জায় শুরু হয়েছে বিশেষ প্রার্থনা। রাজধানীর কাকরাইলের সেন্ট মেরি’স ক্যাথেড্রাল, তেজগাঁও জপমালা রানীর গির্জা, মোহাম্মদপুরের সেন্ট ক্রিস্টিনা চার্চসহ নানা গির্জা সেজেছে বর্ণিল সাজে। গির্জাগুলোতে চলছে কীর্তন ও ধর্মীয় গানের অনুষ্ঠান। ঘরে ঘরে তৈরি করা হয়েছে বিশেষ পিঠা ও খাবারের আয়োজন। শিশুদের মধ্যে উপহার বিতরণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সান্তাক্লজ সেজে থাকা স্বেচ্ছাসেবকরা। বড়দিন নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে রাজধানীসহ সারাদেশে চার্চগুলোর আশপাশে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।

Share.
Exit mobile version