বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২৩ , ২০২৬
১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপের বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সেমিফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে দুবাইয়ের দ্য সেভেন্স স্টেডিয়ামে। যেখানে ওভার কমিয়ে ইনিংস নির্ধারণ করা হয় ২৭ ওভারে। সেটাও পুরোটা খেলতে পারেনি টাইগার যুবারা। ১২১ রান জমা করেই নির্ধারিত ওভার শেষ হওয়ার তিন বল আগেই ইনিংস শেষ হয় বাংলাদেশের।

এই মাঠে এই ম্যাচে পাকিস্তান প্রথম ইনিংসে ৩৪৫ রান করেছে। আর ভারতের মালয়েশিয়ার বিরুদ্ধে ইনিংস ছিল ৪০৮ রানের। যদিও দু’দলই পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করেছে, বাংলাদেশের রানরেট দু’টির চেয়ে কম। পাকিস্তান প্রায় ৭ রানের গড়ে এবং ভারত ৮-এর বেশি রেটে রান তুলেছে, আর বাংলাদেশের রানরেট প্রায় সাড়ে চারের আশপাশে ছিল।

বাংলাদেশের মোট রান একশর নিচে থাকত, যদি ৮ নম্বরে ব্যাট করা সামিউন বশিরের ইনিংস না হতো। শেষ ব্যাটার হিসেবে ৩ বল হাতে থাকতেই রান আউট হওয়া এই অলরাউন্ডার ৩৭ বলে একটি চার ও একটি ছয়ে ৩৩ রান করেন। এটি দলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর করেছে অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিম, যিনি ২০ রান করে ১৩ ওভারে আউট হন।

পাকিস্তান বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চাপে ফেলেছিল, ৬৫ রানে ৫ উইকেট নেয়ার মাধ্যমে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে ম্যাচটি ২৭ ওভারে সীমিত হয়। টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পায় যুবা টাইগাররা। ইনিংস শুরু করা জাওয়াদ আবরার ৯ এবং রিফাত ৬ রানে আউট হন যথাক্রমে ৯ ও ১৬ বলে।

ওয়ানডাউনে নামা অধিনায়ক তামিম ইনিংস সামলাতে থাকেন। অন্য প্রান্তে কালাম সিদ্দিকী ধীরগতিতে খেললেও কিছু রান করার চেষ্টা করছিলেন। বাঁহাতি ব্যাটসম্যান আবদুল সুবহান বোলারের মাথার ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকানোর পর আউট হন। একই ওভারে কালামও ২৩ বলে ৮ রান করে আউট হন। পরের আঘাতও দিয়ে যান সুবহান। মো. আবদুল্লাহকে ৫ রানে আউট করেন। এরপর শেখ পারভেজ ৭৩, ফরিদ হাসান ৯৩, মো. সবুজ ১০৫ এবং সাদ ইসলাম ১০৬ রানে আউট হন। এদের কেউই দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি।

Share.
Exit mobile version